সকালে খালি পেটে কি খেলে ওজন বাড়ে

 

সুস্থতা এবং স্বাস্থ্য অনেক বড় একটা নিয়ামত । ওজন কম থাকলে অনেক রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন ধরুন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় শরীরে দুর্বলতা আসে আর ঠিকমতো শক্তি পাওয়া যায় না । তাই আমাদের সকলেরই  স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা উচিত। 

সকালে খালি পেটে কি খেলে ওজন বাড়ে

কিন্তু আপনি যদি সঠিকভাবে ওজন বাড়াতে পারেন তাহলে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পাবে পেশি মজবুত হবে আর সার্বিকভাবে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। আর যদি স্বাস্থ্য ভালো থাকে তাহলে সকল কাজকর্মই আপনার ভালো লাগবে। তাহলে চলুন জেনে নেই কিভাবে সঠিক নিয়মে ওজন বৃদ্ধি করা যায়। 

সুচিপত্রঃ সকালে খালি পেটে কি খেলে ওজন বাড়ে 

সকালে খালি পেটে কি খেলে ওজন বাড়ে 

প্রতিটি দিনের শুরু হয় সকাল দিয়ে। তাই সকালের খাবারটা প্রত্যেকের জন্য খুব জরুরী। আমরা বেশিরভাগ মানুষই প্রতিদিন এমনটা করে থাকি সকালে ঘুম থেকে দেরিতে উঠে কাজে বের হওয়ার আগে তাড়াহুড়া করে কিছু না খেয়েই কাজে বেরিয়ে যাই। অনেক সময় হালকা নাস্তা বা চা-বিস্কুট খেয়ে আমরা বেরিয়ে পড়ি। 

এটি কোন সহজ প্রক্রিয়া বা ব্যাপার না যে আপনি একদিনই হঠাৎ করে অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে কিছু খাবার ওজন বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত এবং আপনাকে ফিট এবং সুস্থ হতে সাহায্য করতে পারে। আজকে আমি আপনাদের এই সকল প্রক্রিয়া এবং খাবার নিয়ম কানুন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। 

ওজন কম থাকার বিভিন্ন কারণ

শরীর সুস্থ রাখার জন্য সবচাইতে বেশি প্রয়োজন সঠিক ওজনের। ওজন কম হলেও আপনি যেরম নানাবিদ সমস্যায় পড়েন ওজন অতিরিক্ত বৃদ্ধি হলেও ঠিক তার বিপরীত সমস্যা গুলো দেখা দেয়। তাই কি কারণে ওজন কমে বাড়ে সেই বিষয়গুলো সকলেরই খেয়াল রাখা উচিত এবং তা অনুযায়ী নিজেকে পরিচালনা করা দরকার।

ওজন কম থাকার পিছনে অনেক কারণ আছে যেমন ধরুন অনেকের পারিবারিকভাবে শরীর হালকা পাতলা হয়, অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা করলে শরীর অসুস্থ থাকে ওজন কম হয়, হজম জনিত সমস্যা যেমন গ্যাসটিক কোষ্ঠকাঠিন্য এসিডিটি ইত্যাদি কারণে আপনার ওজন কমে যায়। নানাবিধ দীর্ঘমেয়াদি রোগ যেমন ডায়াবেটিস ক্যান্সার সহ আরো বিভিন্ন কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং এর ফলে ওজন বাড়াতে বাধা গ্রস্ত হয়।

কতটুকু ওজন বাড়ানোর প্রয়োজন আছে

আপনি যখন ওজন বাড়াতে চাইছেন তখন আপনার লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি ও স্বাস্থ্যবান শরীর তৈরি করা। এর মানে শুধুমাত্র চাঁদপুর অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খেয়ে মোটা হওয়া নয় বরং এমন খাবার খাওয়া যা আপনাকে শক্তিশালী করে তোলে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আপনাকে সুস্থ রাখে।
আমরা অনেকেই আছি ওজন বাড়ানোর জন্য নানাবিদ ঔষধ মেডিসিন ইত্যাদি খেয়ে ওজন দ্রুত বৃদ্ধি করতে চাই। কিন্তু আমাদের মাথায় রাখতে হবে কতটুকু ওজন বৃদ্ধি করলে আমি সুস্থ থাকব শক্তিশালী হতে পারব এবং স্বাভাবিক থাকতে পারবো। তাহলে চলুন বন্ধুরা জেনে নেই কি নিয়ম মেনে চললে এবং কি কি খাবার খেলে আপনি দ্রুত সঠিকভাবে ওজন বৃদ্ধি করতে পারবেন।

দিনে অন্ততও ৫-৬ বার খাওয়ার অভ্যাস

যাদের ওজন কম এবং রোগা পাতলা তারা অনেক সময় বেশি খাবার একসাথে খেতে পারে না। তাই এখন থেকে তারা তিনবারের পরিবর্তে ৫ থেকে ৬ বার খাবার অভ্যাস করুন। আপনি অল্প অল্প করে বেশি বেশি খান এতে করে আস্তে আস্তে আপনার খাবার আগ্রহ বাড়বে। এর ফলে শরীরে পর্যাপ্ত ক্যালরি পৌঁছাবে এবং হজমেরও সুবিধা হবে। 

সকালে খালি পেটে কি খেলে ওজন বাড়ে

যেহেতু আমরা কিভাবে খাবার খেলে বা সঠিক নিয়ম মেনে খাবার খেলে ওজন বাড়ার বিষয়ে আলোচনা করছি। তাই আপনাকে মাথায় রাখতে হবে খাবার না খেলে তো আপনি অসুস্থ হয়ে যাবেন কিন্তু কোন খাবার খাবেন সেটাও আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যাতে আপনি অতিরিক্ত চর্বি এবং ফ্যাট না হয়ে যান। কারণ অতিরিক্ত চর্বি শরীরের জন্য ভালো না তো আজকে আমরা জানবো কোন খাবারগুলো খেলে সঠিক ভাবে ওজন বৃদ্ধি করা সম্ভব।

পুষ্টিকর ও উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়া

খাবারের সাথে ওজন বাড়ার যেহেতু একটা সম্পর্ক আছে তাহলে আপনাকে অবশ্যই এমন খাবার বেছে নিতে হবে যেগুলো উচ্চ গ্যালনীয় পুষ্টিগুণে ভরপুর। দেখা যাচ্ছে খাবার কথা বলেছি দেখে আপনি শুধু খাবার খেয়েই গেলেন কিন্তু সেগুলো আসলে শরীরের জন্য কতটা উপকারী এবং দরকারি তা জানলেন না। তাহলে শুধু খাবার, অর্থ আর সময় নষ্ট হল আপনার কোন উপকারে আসলো না।

এমন খাবার খেতে হবে যেগুলো উচ্চ ক্যালোরি ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। উদাহরণস্বরূপ মাখন বাদামের তেল খেতে পারেন। ছোলা আলু মিষ্টি আলু এই জাতীয় খাবার খেতে পারেন। সাথে ডিম মাছ মুরগি পনির জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। আরো রয়েছে দুধ ঘোল ছানা বাদাম কাজুবাদাম কিসমিস ইত্যাদি পুষ্টিকর এবং ক্যালরিযুক্ত খাবার খেলে দ্রুত আপনি ওজন বৃদ্ধি করতে পারবেন।

প্রোটিন যুক্ত খাবার ও হেলদি স্ন্যাকস খাওয়া

আপনাকে পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি প্রোটিনযুক্ত খাবারও খেতে হবে। যেমন ধরুন সিদ্ধ অথবা ভাজা ডিম্‌ মুরগির বুকের মাংস মসুরের ডাল মুগ ডাল সয়াবিন ঘন দুই থানা পনির ইত্যাদি প্রোটিন জাতীয় খাবার। আপনি চাইলে প্রোটিন শেখ ঘরে বানিয়েও খেতে পারেন। প্রতিটি সুস্থ মানুষের জন্য অন্তত এক কেজি ২০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রাম প্রোটিন খাবার প্রয়োজন।

আমরা অনেক সময় খাবারের মাঝে কিছু হালকা জাতীয় খাবার খেতে চাই যেগুলোকে স্ন্যাকস বলতে পারি। এটা হতে পারে সকালের খাবার এবং দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি সময়। আবার হতে পারে সন্ধ্যায় চায়ের আড্ডায় কিছুটা স্ন্যাকস জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। স্নাক্স জাতীয় খাবারের মধ্যে যেমন রয়েছে কোলাবা আমের শেক বাদাম ও কিসমিস পিনাট বাটার স্যান্ডউইচ সহ নানা রকম খাবার। 

খাবার রুটিন ও ঘুম ঠিক রাখুন

নিয়মিত রুটিন মেনে খাবার খাওয়া আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত জরুরী। কারণ নিয়মিত সময়মতো খাবার না খেলে আপনার শরীরে ক্যালরি জমতে পারে না যেহেতু আমরা এতক্ষণ বর্ণনা করলাম যে ক্যালোরি যুক্ত খাবার খান কেনরে যুক্ত খাবার খেয়ে যদি ক্যালরি নাই জমাতে পারেন তাহলে তো সেটা উপকারে আসবে না। তাই সকালে ঘুম থেকে ওঠার ৩০ মিনিটের মধ্যে ব্রেকফাস্ট এবং তারপর তিন ঘন্টা অন্তর অন্তর খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।

ভাই খাবারের অভ্যাস তো তৈরি করলেন কিন্তু খাবারগুলো তখনই আপনার কাজে লাগবে বা খাবার গুলো হজম হবে যখন আপনি এই নিয়মিত ঘুম ঠিক রাখবেন। কারণ ঘুম ঠিকঠাক মতো না হলে আপনার ব্রেন কাজ করবেনা আপনার শরীর ও ঝিনঝিন করে যায় তাই প্রতিটি সুস্থ মানুষের জন্য কমপক্ষে সাত থেকে আট ঘন্টা ঘুমানো অতীব জরুরী।

পর্যাপ্ত পানি খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা

খাবারের সাথে জলের খুব প্রয়োজন কারণ আবার খাওয়ার পর যদি আপনি জল বা পানি না খান তাহলে সেটাকে হজম করতে সাহায্য করে না আর খাবার যদি হজম না হয় তাহলে সেই খাবার আপনার কোন উপকারে আসবে না বরঞ্চ আপনি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যাবেন। আমরা অনেক সময় খাবারের আগে বা খাবারের মাঝখানে পানি খেয়ে থাকে তবে এটা না করে যতদূর সম্ভব পারেন খাবার কিছুক্ষণ পর পানি পান করার চেষ্টা করুন। 

ওজন বৃদ্ধির জন্য ব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকারী একটা পদক্ষেপ। তবে এটা ওজন কমানোর জন্য যে সমস্ত অতি ভারি মাত্রার ব্যায়াম করতে বলে সেগুলো না। আপনি হালকা ওজন তোলা যোগব্যায়াম ও বডি ওয়েট এক্সারসাইজ করুন যেমন ধরুন উসা প্ল্যান স্কোয়ার ইত্যাদি। এগুলো আপনার বেশি তৈরি করবে খিদে বাড়াবে খাবার ভালো মতো হজম করবে।

ওজন বাড়াতে বাধা দেয় এমন অভ্যাস ত্যাগ করা

ভাই সব নিয়মকানুন মেনে চললাম খাবার ঠিকমতো খেলাম ব্যায়াম করলাম আনুষঙ্গিক সকল নিয়ম কানুন মেনে চললাম। কিন্তু একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে কিছু কারণ আছে বা কিছু অভ্যাস আছে যেগুলো বাদ না দিলে আপনাকে ওজন বৃদ্ধি করতে বাধা দেয়। সে সমস্ত বিষয়গুলি আমাদেরকে বাদ দিতে হবে বা খুব সতর্কতার সহিত চলতে হবে।

সকালে খালি পেটে কি খেলে ওজন বাড়ে

যে অভ্যাসগুলো ওজন বাড়াতে বাধা দেয় তার মধ্যে রয়েছে, এক বেলা খাবার না খাওয়া, অতিমাত্রায় চা কফি খাওয়া শুধু মাত্র ফাস্টফুট জাতীয় খাবার খাওয়া অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিয়ে কাজ করা, এবং খাবার সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়া। নতুন বৃদ্ধি করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই এই অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে হবে।

শক্তিশালী ও মোটা হওয়ার পুষ্টিকর খাদ্য তালিকা

  • পেশী গঠনের জন্য: প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডিম (কুসুম সহ) মুরগির মাংস, চরবিহীন গরুর মাংস এবং মাছ রাখুন
  • সুস্থ চর্বি: দ্রুত ওজন ও শক্তি বাড়াতে প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, পিনাট বাটার বা ঘি খান
  • উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত কার্বোহাইড্রেট: লাল চালের ভাত, আলু, মিষ্টি আলু, ওটস এবং খেজুর নিয়মিত খান
  • ক্যালোরি শেক: দুধ, পাকা কলা এবং পিনাট একসাথে ব্লেন্ড করে হাই ক্যালোরি শেক বানিয়ে খেতে পারেন

প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ও তাদের ভূমিকা

আমরা অনেকেই জানি যে পুষ্টি হইলে কতটুকু ভূমিকা পালন করে অনেক গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি শরীরে ওজন নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম ভালোভাবে শোষণ করতে পারে এর ফলে হার মজবুত হয় এবং ওজন বাড়ে বিশেষ করে যারা অত্যন্ত পাতলা বা কম ওজনের তাদের জন্য এটি খুবই উপকারী।
অস্বাস্থ্যকর ওজন বৃদ্ধির শারীর দেবীর মানসিক অসুস্থতার জন্য বিভিন্ন ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে তাই অবশ্যই আমাদের উচিত হবে খাবারের সঠিক পুষ্টি উপাদান জেনে এবং তাদের কার্যকারিতা জেনে তারপর খাবার গ্রহণ করতে হবে। তাহলে আশা করা যায় আপনাকে দ্রুত ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে।

ভিটামিন ও মিনারেলস ওজন বাড়াতে সাহায্য করে

আমাদের প্রত্যেক বয়সের মানুষের জন্য ভিটামিন খুবই কার্যকারী জিনিস। ভিটামিনের বিভিন্ন গ্রুপ রয়েছে যেমন ধরুন ভিটামিন এ ডি ই কে বি ইত্যাদি। তে মেশে এবং শরীরে বেশি তৈরিতে এবং হার শক্ত রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি এর মধ্যে যেমন রয়েছে বি১, বি৬, বি১২ এগুলো হজম ভালো রাখে ওজন বাড়ানোর জন্য এটা খুবই কার্যকারী হয়ে যাবে। 

মিনারেলস হচ্ছে খনের উপাদান। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম যা আপনার হারের গঠন ওজন বাড়াতে সাহায্য করে, রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যেটি পেশি কাজ করে ঠিকভাব্‌ আরো রয়েছে আইরন এটি রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়িয়ে শক্তি দেয়, এছাড়াও রয়েছে যেটি আপনার হজমে সাহায্য করে এবং খিদে বাড়ায়। সমস্যা গুলো দেখা যায় এবং বিভিন্ন সমস্যার মুখে পড়েন সেগুলো থেকে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করছি।

শেষ কথাঃ সকালে খালি পেটে কি খেলে ওজন বাড়ে

ওজন বাড়ানো কোন খারাপ বা দোষের বিষয় না আপনি যদি অসুস্থ হালকা-পাতলা হয়ে থাকেন অবশ্যই ওজন বাড়ানো দরকার। তুমি আমরা অনেকেই মনে করি যে কিছু নিয়মকানুন ফলো করলে আমরা খুব দ্রুত তাড়াতাড়ি দুই-একদিনের মধ্যেই মোটা হয়ে যাবে। বিষয়টা এমন না আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য রাখতে হবে নিয়মিত খাওয়া ঘুম দেন সবকিছু মিলেই ফল পাওয়া যাবে। 

আপনি যদি এতক্ষণ আলোচনা করা হলো এই সমস্ত বিষয়গুলো মেনে চলতে পারেন তাহলে আশা করছি দুই এক মাসের মধ্যেই ভালো একটা ফলাফল পাবেন যেটা আপনি নিজের চোখেই দেখতে পারবেন। তবে যদি আপনার গভীর বা দীর্ঘমেয়াদি কোন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন আপনাদের সবার সুস্থতা কামনা করে এখানেই শেষ করছি। 



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সাবা ডিজিটাল আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url