গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা

গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমরা আজকে এই আর্টিকেল থেকে জানব যে গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকা কেমন হওয়া উচিত। কোন মাসে কতটুকু খাবার খাওয়া উচিত। কোন খাবার গুলো খাওয়া যাবে এবং কোন খাবার গুলো থেকে বিরত থাকতে হবে এই সমস্ত বিষয়ের বিস্তারিত আলোচনা।

গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা

সুস্থতা প্রতিটি মানুষেরই প্রয়োজন। আর সেটি যদি হয় গর্ভবতী অবস্থায় তাহলে তো এর কোন বিকল্পই নেই। সুস্থতার জন্য সবচাইতে বেশি যে জিনিসটা প্রয়োজন সেটা হল খাবারের সঠিক মান নির্ণয়। কারণ মূলত খাবারের উপরে নির্ভর করে আমাদের সুস্থ থাকা বা অসুস্থ হওয়া। কাজেই আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত সঠিক খাবার নির্ণয় করা। 

সূচিপত্র ঃ গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা

গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা

গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা সাধারণত প্রথম এক থেকে তিন মাসে তেমন বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হয় না। অন্য সময়ের মতোই স্বাভাবিক খাবার খেলেই হয়। তবে এর পরের মাস থেকে কিছু সুষম খাবার পুষ্টিকর এবং ভিটামিন জাতীয় খাবার খাবার প্রয়োজন হয় যাতে গর্ভবতী মা এবং গর্ভের বাচ্চা সুস্থ থাকতে পারে। 

আপনার খাবার তালিকায় অবশ্যই একটি সুষম খাবার বন্টন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা সময় বাড়ার সাথে সাথে বাচ্চার সঠিক সুস্থতা মানসিক বিকাশ এবং সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করে এমনভাবে আপনার একটি সুষম খাবার তালিকা তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আজকে জানবো একটি গর্ভবতী মায়ের জন্য তার খাবার তালিকা কিভাবে তৈরি করতে হয়। 

গর্ভাবস্থায় কোন মাসে কতটুকু খাবার খাবেন

গর্ভবতী মানে যে খুব বেশি মাত্রায় খাবার প্রয়োজন বিষয়টি তেমন না। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি কিছু সুষম পুষ্টিকর এবং ভিটামিন জাতীয় খাবারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তাহলে চলুন দেখি কোন মাসে কতটুকু এবং কোন জাতীয় বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হয়।

১-৩ মাসেঃ সাধারণত প্রথম এক থেকে তিন মাসের মধ্যে তেমন একটা বাড়তি খাবারের প্রয়োজনীয়তা হয় না। শরীরের গঠন উচ্চতা এবং স্বাভাবিক ভাবে যে খাবার খায় তার প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার খাওয়া। যদি অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি হয় তাহলে হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন কমিয়ে নিয়ে আসা এবং স্বাভাবিক খাবারের মাধ্যমে এই ওজনটা নিয়ন্ত্রণে রাখা।

৪-৬ মাসেঃ আমরা মোটামুটি ভাবে অনেকেই জানি যে একটি সুস্থ মানুষের জন্য প্রতিদিন গড়ে পনেরশো ক্যালোরি খাবারের প্রয়োজন হয়। একজন সুস্থ গর্ভবতী মায়ের তিন মাস পর থেকে কিছুটা বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হয়। পরবর্তী চার মাস থেকে ছয় মাস পর্যন্ত প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৩৫০ ক্যালোরি বাড়তি খাবারের প্রয়োজন পড়ে। 

৬-৯ মাসেঃ বাচ্চার গর্ভের সময় যত বৃদ্ধি পায় গর্ভবতী মায়ের খাবার চাহিদাও ঠিক তেমনি ভাবেই বৃদ্ধি পায়। ঠিক তেমনিভাবেই একটি স্বাভাবিক এবং সুস্থ ও গর্ভবতী মায়ের জন্য ছয় মাস থেকে শুরু করে বাচ্চা প্রসবের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৪৫০ ক্যালোরি বাড়তি খাবারের প্রয়োজন পড়ে। 

গর্ভাবস্থায় কোন খাবার খাওয়া যাবে না

একটি গর্ভবতী মায়ের সচেতন থাকা খুবই প্রয়োজন, কেননা তার জীবনের সাথে সাথে তার বাচ্চা জীবনেও তার উপরেই নির্ভরশীল। সুতরাং এই সময়ে অতিরিক্ত তৈলাক্ত জাতীয় জিনিস, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় জিনিস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে করে বাচ্চার জন্য এবং বাচ্চার মায়ের জন্য স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কম থাকবে। অতিরিক্ত তৈলাক্ত জিনিসের মধ্যে রয়েছে যেমন, মাখন, ঘি, চকলেট, পেস্ট্রি, আইসক্রিম, সিঙ্গারা, সমসা বা আরও তৈলাক্ত জাতীয় খাবার, এছাড়াও রয়েছে নানান প্রকারের কোলড্রিংস জাতীয় খাবার। 


এই খাবারগুলোতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন কম থাকে। ক্যালরির পরিমাণও কম রয়েছে। যা কিনা বাচ্চার স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা থেকে বিরত থাকে। গর্ভবতী মায়ের নানারকম সমস্যা দেখা দিতে পারে হার্টের সমস্যা অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পাওয়া যেটা পরবর্তীতে বাচ্চার জন্য খুবই ক্ষতিকর হতে পারে। তাই আমাদের অবশ্যই উচিত হবে এই খাবারগুলো সম্পূর্ণরূপে বর্জন করা।

গর্ভাবস্থায় যে খাবারগুলি বাদ দেওয়া ভালো 

আমরা অনেক সময় কিছু মুখরোচক খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু এই অবস্থায় নির্দিষ্ট কিছু খাবার থেকে অসুস্থ আর ঝুঁকি থাকে। যা গর্ভধারণ সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি করতে পারে এবং গর্ভের বাচ্চার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। 
  • গর্ভ অবস্থায় যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা ভালো
  • কাঁচা দুধ বা ওই ধরনের দুধ থেকে তৈরি যে কোন খাবার 
  • যেকোনো মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার যেগুলোতে ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে 
  • কাঁচা বা অর্ধ সিদ্ধ মাছ মাংস ডিম সবজি ইত্যাদি 
  • বিভিন্ন ধরনের শিকারি মাছ যাতে উচ্চমাত্রায় পারদ থাকে যেমন ধরুন, হাঙর, স্টোর ফিস,  মারলিন বা এই জাতীয় মাছ 
এক কথায় বলতে গেলে যে খাবারগুলো খেলে লাভের থেকে ক্ষতির পরিমাণই বেশি হতে পারে সেই সকল খাবার থেকে গর্ভাবস্থায় বিরত থাকাই ভালো।

গর্ভাবস্থায় যে খাবারগুলো অবশ্যই খাবেন 

গর্ভাবস্থায় এমন খাবার খাওয়া উচিত যে খাবারগুলো আপনার শরীরের বিভিন্ন শক্তির উৎস তৈরি করে বিভিন্ন ভিটামিন এর অভাব দূর করে এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে এমন জাতীয় খাবার। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন খাবারগুলো আমাদের অবশ্যই খাওয়া উচিত। 

শর্করা জাতীয় খাবারঃ মানব দেহের শক্তির প্রধান উৎসই হল শর্করা জাতীয় খাদ্য। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এবং বাড়তি ক্যালোরের চাহিদাও পূরণ করতে সহায়তা করে। এগুলো হলো ভাত, রুটি, আলু, নুডুলস বা পাস্তা, ভুট্টা । তবে প্রক্রিয়াজাতকরণ শর্করা থেকে গোটা শস্যদানা অধিক গুণে ভালো। তাই চেষ্টা করা গোটা শস্যদানা থেকে শর্করা জাতীয় খাবার তৈরি করা।

ফল ও শাকসবজিঃ  গর্ভাবস্থায় প্রায়ই নানান রকমের রঙিন ফল এবং নানান ধরনের শাকসবজি খেতে হবে। এসব ফল এবং শাকসবজি গর্ভকালীন সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন এবং খনিজ লবনের চাহিদা মেটায়। এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন থাকে এবং হজম করতে সাহায্য করে। যেটি গর্ভাবস্থায় শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক বেড়ে ওঠায় সাহায্য করে।

শাকসবজির মধ্যে রয়েছে গাজর মিষ্টি আলু মিষ্টি কুমড়া পালন শাক টমেটো মটরশুঁটি এবং বিভিন্ন ধরনের রঙিন সবজি। 


ফলের মধ্যে রয়েছে আম কলা কমলা মাল্টা জাম্বুরা পেয়ারা সহ আরো নানান রকমের পুষ্টিকর ফল। 
তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন এই শাকসবজি এবং ফল ভালোভাবে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে তারপরেই খাবেন। 

প্রোটিন জাতীয় খাবারঃ শিশুর শারীরিক গঠন ও বৃদ্ধির জন্য গর্ভকালীন সময়ে প্রয়োজন পরিমাণে প্রোটিন খাবার খেতে হবে যেমন ধরুন, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, বিভিন্ন ধরনের ডাল বা মটর জাতীয় জিনিস কাঠবাদাম ইত্যাদি। এগুলো অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার সুতরাং এই খাবারগুলো আপনাকে অবশ্যই খেতে হবে। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন এই খাবারগুলো যাতে সঠিকভাবে সিদ্ধ করে এবং পরিষ্কারভাবে খেতে হবে। 

এছাড়াও দুগ্ধ জাতীয় খাবার বা দুধ থেকে তৈরি হয় এমন খাবার যেমন পনির, দই এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান থাকে যা শিশুর দাঁত ও হাড় গঠনে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকার জন্য প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করবেন। 

ভিটামিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান

আমরা এতক্ষণ যে খাবার নিয়ে আলোচনা করলাম একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য শুধুমাত্র এই খাবারই যথেষ্ট না। এর জন্য অতিরিক্ত ভাবে কিছু ভিটামিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান বা কিছু ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ট্যাবলেট সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

ফলিক এসিডঃ সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করার শুরু থেকে সন্তান জন্মের তিন মাস পর পর্যন্ত এই ট্যাবলেট সেবন করতে হয়। এই ট্যাবলেট সেবন করলে সন্তানের ব্রেন গঠনে সাহায্য করে এবং গর্ভবতী মায়ের জন্মগত নানান জটিল রোগের সমাধান করে থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক মায়ের জন্য প্রতিদিন গড়ে ৪০০ মাইক্রগ্রাম ট্যাবলেট সেবন করা দরকার। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন রোগের জন্য এটি কম বেশি হতে পারে। 

আয়রনঃ আইরন ও ফলিক এসিডের মত জন্ম ধারণ করার শুরু থেকে সন্তান জন্মের তিন মাস পর পর্যন্ত সেবন করতে হয়। আইরন গর্ভবতী মায়ের রক্তশূন্যতা দূর করে। এর পাশাপাশি সঠিক সময়ে মধ্যেই সন্তান জন্মদানে সহযোগিতা করে এবং অস্বাভাবিক ওজনের বাচ্চা জন্মানোর জটিলতার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন গড়ে ৬০ মিলিগ্রাম আয়রন ট্যাবলেট সেবন করতে হয়। 

ক্যালসিয়ামঃ ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট প্রতিটি মানুষেরই নানাবিধ সমস্যার সমাধান করে। গর্ভবতী মায়ের জন্য এটি খুব কার্যকরী। গর্ভধারণের তিন মাস পর থেকে প্রতিদিন দুইটি করে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খাওয়া প্রয়োজন।
এছাড়াও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আরো বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ ট্যাবলেট খাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। 

গর্ভবতী মায়ের খাবার কিভাবে তৈরি করবেন

খাবার থেকে নানান ধরনের রোগ জীবাণু শরীরে প্রবেশ করতে পারে। যা কিনা গর্ভবতী মা এবং গর্ভের সন্তানের নানান ধরনের জটিল রোগের সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। তাই অবশ্যই প্রত্যেকটি খাবার খাওয়ার আগে নিম্নের বিষয়গুলো মেনে চলা খুবই জরুরী। 
  • যেকোনো ধরনের ফল খাবার আগে খুব ভালো করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে খেতে হবে। 
  • সকল ধরনের শাকসবজি রান্নার আগে পরিষ্কার পানি দিয়ে সুন্দরভাবে ধুয়ে নিতে হবে। যাতে করে কোন ধরনের মাটি বা ধূলিকণা শাক বা সবজিতে লেগে না থাকে। 
  • কাঁচা মাছ, মাংস, ডিম এগুলো রান্নার আগে অবশ্যই খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। শুধু এগুলো ধুলেই হবে না, যে পাত্রে এগুলো উঠাবেন এবং রান্না করবেন সেই পাত্র গুলো অবশ্যই ডিটারজেন্ট অথবা সাবান দিয়ে পরিষ্কারভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
  • কোন অবস্থাতেই মাছ, মাংস, ডিম অথবা যে কোন শাকসবজি অর্ধ সেদ্ধ অবস্থায় খাওয়া যাবে না। অবশ্যই খুব ভালোভাবে সিদ্ধ করে এগুলো খেতে হবে। 
  • বেশি দিন ফ্রিজে থাকা মাছ-মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ বেশিদিন ফ্রিজে থাকা মাছ-মাংস শরীরে নানাবিধ সমস্যা তৈরি করতে পারে।
  • রান্না করা খাবারও বেশি দিন ফ্রিজে রেখে খাওয়া ঠিক না। 
এই নিয়মগুলো সঠিকভাবে মেনে চলা প্রতিটি গর্ভবতী মায়ের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন। নিজের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি গর্ভের সন্তানেরও স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরী। 

শেষ কথাঃ গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা

গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা নিয়ে আমরা এতক্ষণ অনেক বিষয়ে জানতে পারলাম। কিভাবে গর্ভবতী মায়ের খাবার তৈরি করতে হয়, কোন খাবারগুলো খেতে হবে, কোন খাবারগুলো খাওয়া যাবেনা, কোন খাবার কতটুকু খাওয়া দরকার এবং কখন খাওয়া দরকার, পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি কিছু ভিটামিন এবং পুষ্টিকর ট্যাবলেট খাওয়া, এবং এই খাবারগুলো কিভাবে খেতে হবে এই সকল বিষয়ে জানতে পারলাম। 

প্রত্যেকটি গর্ভবতী মায়ের জন্য এই সকল বিষয় মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে আপনার পাশাপাশি আপনার গর্ভের সন্তানেরও স্বাস্থ্য বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই আশা করব একজন গর্ভবতী মা কিভাবে তার গর্ভকালীন সময়ে নিজের পরিচর্যা করবে তা জানতে পারলেন। আমার এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি যদি উপকৃত হন তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধু বান্ধবের সাথে শেয়ার করুন। 





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সাবা ডিজিটাল আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url